শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
যেসব আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়লো নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হুমকি অন্তিম মুহূর্তে যে উপদেশ দিয়েছিলেন নুহ (আ.) একতরফা সবকিছু করলে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবো : জামায়াতের হুঁশিয়ারি এনআইডির তথ্য বিক্রি করে কোটি টাকা আয়: ইসির কর্মচারীসহ গ্রেফতার ২ মাসুদ সাঈদীর আপিল নামঞ্জুর, বহাল থাকলো বিএনপি প্রার্থী আলমগীর র‌্যাবের গুমঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অধ্যাদেশ জারি : হাওর-জলাভূমি দখল ও অবৈধ মাছ শিকারে জরিমানা ১০ লাখ  কাতারের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

‘চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে দেশের স্বার্থবিরোধী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে দেওয়া হবে না’

স্টাফ রিপোর্টার ::
Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

 

চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি।

 

রোববার (৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

 

বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশ আজ কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সময়ে একটি কুচক্রী মহল দেশের লাইফলাইনখ্যাত চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে গভীর চক্রান্তে লিপ্ত। বিশেষ করে লাভজনক স্থাপনা এনসিটিকে বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের চেষ্টা কোনোভাবেই দেশের স্বার্থে নয়। পতিত স্বৈরাচার সরকারের নেওয়া স্বার্থবিরোধী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের কাজ হতে পারে না।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠন বন্দর স্থাপনাগুলো বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু এখনো অবৈধভাবে কণ্ঠরোধের চেষ্টা চলছে। চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল (সাবেক সিবিএ) নেতৃবৃন্দসহ শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায়’ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও নিন্দা জানায় মহানগর বিএনপি। বন্দর কর্তৃপক্ষ যদি স্বৈরাচারী ও অনিয়মতান্ত্রিক আচরণ থেকে সরে না আসে, তবে জনগণ ও শ্রমিক–কর্মচারীদের স্বার্থে কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য হবো।