শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

পশ্চিমবঙ্গ ও খুলনা সড়ক সম্প্রসারণের দাবি বিজেপির, কারণ কী

মনির হোসেন
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

 

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও খুলনার মধ্যে সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মহাসড়ক ‘যশোর রোড’। রোডটি দ্রুত সম্প্রসারণের আবেদন জানিয়েছেন বিজেপি সংসদ সদস্য শান্তনু ঠাকুর। সম্প্রতি এ নিয়ে তিনি চিঠি দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রীকে।

শান্তনু বলেন, ‘সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর কাছে বারাসত থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার যশোর রোড চওড়া এবং সম্প্রসারণ করার আবেদন করেছি। এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করারও আবেদন জানানো হয়েছে। বলেছি, যশোর রোড এখন এক লেনের। সেটি ৪ বা ৬ লেন করা হোক।’

চিঠিতে বলা হয়েছে, যশোর রোড একটি আন্তর্জাতিক সড়ক। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশকে সড়কপথে যুক্ত করেছে। কলকাতা থেকে পেট্রাপোল দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার।

যশোর রোডটি সম্প্রসারণ কেন জরুরি— সে বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে দুই দেশের (বাংলাদেশ-ভারত) মধ্যে যাত্রী যাতায়াত অনেক বেড়েছে। বছরে প্রায় ২৩ লাখ মানুষ এখান দিয়ে যাতায়াত করেন। সড়কপথে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় এই সড়ক পথে। রোডটি সম্প্রসারণ হলে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী যাতায়াত মসৃণ হবে। বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়বে এবং স্থানীয় মানুষও উপকৃত হবেন।