শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
যেসব আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়লো নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হুমকি অন্তিম মুহূর্তে যে উপদেশ দিয়েছিলেন নুহ (আ.) একতরফা সবকিছু করলে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবো : জামায়াতের হুঁশিয়ারি এনআইডির তথ্য বিক্রি করে কোটি টাকা আয়: ইসির কর্মচারীসহ গ্রেফতার ২ মাসুদ সাঈদীর আপিল নামঞ্জুর, বহাল থাকলো বিএনপি প্রার্থী আলমগীর র‌্যাবের গুমঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অধ্যাদেশ জারি : হাওর-জলাভূমি দখল ও অবৈধ মাছ শিকারে জরিমানা ১০ লাখ  কাতারের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

শিশু রাইফার মৃত্যু, চার চিকিৎসককে আসামি করে থানায় এজাহার

Reporter Name
Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন

 

চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসকের গাফিলতিতে শিশু রাফিদা খান রাইফার মৃত্যু ঘটনায় এবার তার বাবা রুবেল খান থানায় মামলার আবেদন করেছেন। বুধবার বিকালে দৈনিক সমকালের চট্টগ্রাম ব্যুরোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুবেল চার চিকিৎসককে আসামি করে চকবাজার থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। চার চিকিৎসক হলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ বিধান রায় চৌধুরী, ম্যাক্স হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক দেবাশীষ সেন গুপ্ত, শুভ্র দেব ও ম্যাক্স হাসপাতালের পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমরা এজাহারটি নিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর মামলাটি গ্রহণ করব। এজাহারে রুবেল খান অভিযোগ করেন, চার চিকিৎসকের অবহেলা ও গাফিলতিতে রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় না হওয়া এবং ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক ও অতিরিক্ত মাত্রায় সেডিল প্রয়োগের কারণে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিবায়েটিকে আড়াই বছর বয়সী রাইফার শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলেও তা বারবার প্রয়োগ করা হয়েছিল। পরে ওষুধের আলামতও নষ্ট করে দেয়া হয়। রুবেল দাবি করেছেন, এসব অ্যান্টিবায়োটিক মেয়াদোত্তীর্ণ কি না, তা যাচাই করতে সংরক্ষণ করার কথা বলা হলেও চিকিৎসকরা তা সরিয়ে ফেলেন। এই সাংবাদিকের দাবি, আলামত নষ্টের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই ধরনের মৃত্যু সনদও দিয়েছিল। গলায় ব্যথা হওয়ায় রাইফাকে গত ২৮ জুন বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ডা. বিধান রায়ের অধীনে তার চিকিৎসা চলছিল। ২৯ জুন রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে রাইফার মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে একটি কমিটি করে দেয়া হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটিও এ ঘটনার তদন্ত করে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বাধীন কমিটি তাদের প্রতিবেদন কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা এবং গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ম্যাক্স হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটির কথা তুলে ধরে।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবকে বরখাস্ত করে। তবে বিধান রায় তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারার কথা জানিয়ে বলে, এই চিকিৎসককে আর হাসপাতালে ডাকবেন না তারা।