শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
যেসব আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়লো নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হুমকি অন্তিম মুহূর্তে যে উপদেশ দিয়েছিলেন নুহ (আ.) একতরফা সবকিছু করলে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবো : জামায়াতের হুঁশিয়ারি এনআইডির তথ্য বিক্রি করে কোটি টাকা আয়: ইসির কর্মচারীসহ গ্রেফতার ২ মাসুদ সাঈদীর আপিল নামঞ্জুর, বহাল থাকলো বিএনপি প্রার্থী আলমগীর র‌্যাবের গুমঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অধ্যাদেশ জারি : হাওর-জলাভূমি দখল ও অবৈধ মাছ শিকারে জরিমানা ১০ লাখ  কাতারের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

শামীম হত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আটক শিক্ষার্থী মাহমুদুল

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

রিপোর্ট: স ম জিয়াউর রহমান

 

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান (২০)। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাসন উদ্দিন সোমবার এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতে দায়িত্বরত ঢাকা জেলা পুলিশের উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমেদকে মারধর করার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মাহমুদুল হাসান। তাতে কীভাবে শামীম আহমেদকে মারধর করা হয়, তা তিনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন। আশুলিয়া থানা-পুলিশ রোববার গাজীপুরের হোতাপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মাহমুদুল হাসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হলে থাকতেন তিনি। তাঁর বাড়ি গাজীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ সালনার আরালিয়া গ্রামে।

মারধরে নিহত শামীম আহমেদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের (৩৯ ব্যাচ) ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সাভারের আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায়। গত বুধবার বিকেল থেকে কয়েক দফায় মারধরে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আট শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।