শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

বিএনপিতে যোগ দিলেন রেজা কিবরিয়া

ঢাকা অফিস ::
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

 

আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

 

সোমবার সকালে (১ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন তিনি।

 

বেলা ১১টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠান হয়। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

 

রেজা কিবরিয়া হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে চান। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জন্য ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে (একটি স্থগিত)। সেখানে হবিগঞ্জ-১ আসনটি ফাঁকা রেখেছে দলটি।

 

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেজা কিবরিয়া বিএনপির জোটসঙ্গী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে একই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকেই নির্বাচন করেছিলেন।

 

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগে রেজা কিবরিয়া গণফোরামে যোগ দিয়ে পরে দলটির সাধারণ সম্পাদক হন। তাকে কেন্দ্র করেই পরে দলটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়। এরপর তিনি ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ গঠন করেন। সেখানে দায়িত্ব পালন করেন আহ্বায়ক হিসেবে। কিন্তু সেখানেও তাকে কেন্দ্র করে দলটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়। এরপর রাজনীতি করবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।