শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
অন্তিম মুহূর্তে যে উপদেশ দিয়েছিলেন নুহ (আ.) একতরফা সবকিছু করলে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবো : জামায়াতের হুঁশিয়ারি এনআইডির তথ্য বিক্রি করে কোটি টাকা আয়: ইসির কর্মচারীসহ গ্রেফতার ২ মাসুদ সাঈদীর আপিল নামঞ্জুর, বহাল থাকলো বিএনপি প্রার্থী আলমগীর র‌্যাবের গুমঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অধ্যাদেশ জারি : হাওর-জলাভূমি দখল ও অবৈধ মাছ শিকারে জরিমানা ১০ লাখ  কাতারের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিত ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও না পরেও না: প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

টিন ছিদ্র করে বাড়িতে গুলি, মর্টারশেল-গুলির শব্দে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত

উপজেলা প্রতিনিধি, টেকনাফ ::
Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন

 

মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দে কাঁপছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বাড়িঘর। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে টিনের চালা ভেদ করে পড়ছে ঘরে। নাফ নদীতে মর্টারশেল পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। এতে সীমান্তজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

 

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর থেকে থেমে থেমে একটানা ৪ ঘণ্টা টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

 

হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরো সীমান্ত এলাকায় মর্টারশেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির বিকট শব্দে সীমান্তবর্তী বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

তিনি আরও বলেন, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের ভেতর থেকে এসব মর্টারশেল নিক্ষেপ ও গুলি চালানো হচ্ছে। এসময় হোয়াইক্যং বাজার সংলগ্ন মোহাম্মদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস ও বালুখালী গ্রামের সরওয়ার আলমের বাড়িতে কয়েকটি গুলি এসে পড়ে। এছাড়া উত্তর পাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে একটি মর্টারশেল পড়লে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যায়।

 

মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে নুরুল আবছার বলেন, ‘শনিবার ভোর থেকে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর গোলাগুলির শব্দ হচ্ছে, সেইসঙ্গে মর্টারশেল ফায়ারের শব্দ ভেসে আসছে। ঠিক এমন মুহূর্তে আমার ঘরের টিনে পর পর দুটি গুলি এসে পড়লে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ এপারে ভেসে আসছে। যখন ফায়ার হয় বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে।’

 

সরওয়ার আলম বলেন, ‘প্রচুর গোলাগুলির শব্দ শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে আমি বাড়ির ভেতরে একটি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। গুলির বিকট শব্দে আমরা ভয়ে কাঁপছিলাম। গুলি ও ফায়ারের সময় বাড়ি-ঘর কেঁপে উঠছিল। এমন অবস্থায় হঠাৎ একটি গুলি টিনের ছাউনি ছিদ্র করে বাড়ির ভেতরে পড়ে যায় এবং গুলিটি ঘুরতে থাকে। পরে গুলিটি হাতে ধরলে তা গরম অনুভূত হয়।’

 

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত প্রচুর গোলাগুলির শব্দ মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এপারে ভেসে আসে। কয়েকটি বাড়িতে গুলি পড়েছে বলে শোনা গেছে।