
চট্টগ্রাম নগরীর বহুল আলোচিত পতেঙ্গা ফুলছড়ি পাড়ার কুখ্যাত সাবেক ওসি প্রদীপের সোর্স হিসেবে পরিচিত যুবলীগের সহ-সভাপতি মুসা আলম এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মাসুদ আলম আবারও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজি, পতিতা ,মাদক ও চোরাকারবারি সিন্ডিকেট পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক বনে যান মুসা আলম ও মাসুদ আলম। বর্তমানে তারা পুনরায় এলাকায় সক্রিয় হয়ে নানা অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ও চরাঞ্চলকেন্দ্রিক বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে আদায়কৃত টাকার একটি অংশ চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মিছিল-মিটিংয়ে অর্থ যোগান দিতেও ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, কুখ্যাত চাঁদাবাজ মাসুদ আলম এলাকায় “গিট্টুবাজ মাসুদ” নামে পরিচিত এবং তিনি মুসা আলমের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত।
তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, পতিতা ব্যবসা চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও রহস্যজনক কারণে তারা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও বিএনপি নেতারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, পতেঙ্গা সৈকত এলাকায় অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।