
তিনি সেখানে মানুষের অন্ত্রের অণুজীব ও বিভিন্ন রোগের সম্পর্ক (হিউম্যান গাট মাইক্রোবায়োটা) নিয়ে গবেষণা করবেন
চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়ার পর উচ্ছাস তাঁর স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ৩.৯৬ সিজিপিএ অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম বর্ষ থেকেই টিউশন করে নিজের খরচ চালানো ও পরিবারকে সহযোগিতার পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য টাকা জমান
মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি প্রথম বছরে প্রায় ২৯,৫৬৬ ডলার টিউশন ফি মওকুফের সুবিধা এবং প্রতি মাসে ২,৬৭৪ ডলার স্টাইপেন্ড পাবেন।
তার এই অর্জনের কারণে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলা আরেক ধাপ এগিয়ে গেল।
চট্টগ্রামের সবার মুখেমুখে মধ্যবিত্ত এই উচ্ছ্বাস সিকদারের কথা। সকল মা বাবা স্বপ্ন দেখছি এরকমভাবে ছেলেকে মানুষের মত মানুষ করা
আমাদের উচ্ছ্বাস শিকদার আমাদের অহংকার আমাদের গর্ব
#হাইলাইটএভরিওয়ান #ফলোয়ার্স #পিএইচডি #স্কলারশিপ