
মঙ্গলবার প্রেস ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে এই সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কামরুল কায়েস চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার রক্ষা, দুস্থ-অসহায় মানুষের কল্যাণ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস* দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখছে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াচ্ছে।তার এই চমৎকার কর্মকাণ্ড চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের নজর কেড়েছে

তাই প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ মনে করেন গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিতে তার এই অবদান ক্লাবের আদর্শ ও লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবে তিনি শুধু অধিকার সচেতনতাই বাড়াননি, বরং সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশনায়ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।
সম্মাননা পেয়ে কামরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, _"চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মতো সাংবাদিকদের একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের আজীবন সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত ও চিরকৃতজ্ঞ। এটি আমার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, এটি আমাকে যারা ভালোবাসেন ও পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের সকল সহযোদ্ধার অর্জন। এই সম্মান আমাকে মানবতার সেবায় আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে।"_
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ এ দায়িত্ব আমাকে আমার উপর বিশ্বাস ও আস্তা রেখে দিয়েছে। আমি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আমার সকল দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবো
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, _"গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের যৌথ প্রচেষ্টায়ই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।"_
প্রোগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বলেন, _"সমাজের আলোকবর্তিকা যারা, তাদেরকে সম্মান জানানোই আমাদের দায়িত্ব। কামরুল কায়েস চৌধুরী মানবতা ও সাংবাদিকতার জন্য যে নিবেদন দেখিয়েছেন তা অনুসরণীয়। তার এই আজীবন সদস্যপদ তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।"_
সর্বশেষ প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি বক্তব্যে বলেন আমরা ব্যক্তিগতভাবে অনেকে কামরুল কায়েস চৌধুরী সম্পর্কে জানি। উনি একজন মানবিক ও চমৎকার মনের মানুষ।সে সাথে তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি মানবাধিকার সংস্থা নিয়ে অসহায় দুঃস্থ মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করছে। আমি মনে করি এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার অঙ্গনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হলো। আশা করা যায়, কামরুল কায়েস চৌধুরীর অভিজ্ঞতা ও পজেটিভ চিন্তাভাবনা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকে ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ করবে।আমাদের বিশ্বাস আমরা একজন যোগ্য ব্যক্তিকে আজীবন সদস্য মনোনীত করতে পেরেছি।
আমরা তার এই দায়িত্ব পালনে উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।