মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

রাত ১০টা রমনা পার্কে ঢুকে র‌্যাব ম্যাজিস্ট্রেট হতবাক

Reporter Name
Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন

১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাসায় ফিরছিলেন র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট গাউছুল আজম। রমনা পার্কের অরুণোদয় গেট তখনও খোলা। কর্মব্যস্ত কিছু মানুষ তখনও রাতের অবসরে দৌড়, হাঁটাসহ শরীরচর্চায় ব্যস্ত। কেউবা বাসার উদ্দেশে বের হয়ে যাচ্ছেন পার্ক থেকে।  এ অবস্থা দেখে ওই ম্যাজিস্ট্রেটও পার্কে ঢুকলেন কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে বাসায় ফিরবেন এবং রাত্রিকালীন পার্কের পরিবেশ কেমন তাও দেখা হবে ভেবে। কিছুক্ষণ হাঁটার পর গাঁজার তীব্র গন্ধ পেয়ে এর উৎস খুঁজলেন তিনি। দেখলেন একটা বেঞ্চের ওপর দুজন বসে মনের আনন্দে সিগারেটে ভরে গাঁজা টানছেন। সঙ্গে সিগারেটের প্যাকেটে আরও দুটি সিগারেটে গাঁজা ভর্তি। মুখের দুর্গন্ধ দূর করার স্প্রে, ই-সিগারেট পাওয়া গেল।

দুজনের একজন উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসক এবং অন্যজন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সদ্য পাস করা একজন ছাত্র। অভিযুক্ত দুজনের পিতামাতা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে তারা জানান, বাবা-মা বেঁচে নেই। আপনজনও কেউ নেই ঢাকাতে।

প্রথমে এসব মিথ্যা তথ্য দিয়ে বোকা বানানোর চেষ্টা করলেও অবশেষে অনেক কষ্টে তাদের পরিবারের সদস্যদের পাওয়া গেল। তারা ঘটনাস্থলে এলেন। অভিযুক্ত চিকিৎসকের বাবা একজন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। রমনা পার্কে এসে ছেলের এমন কাণ্ডে হতবাক তিনি।

দুজনকে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এবং আর মাদকসেবন করবেন না অঙ্গীকার করায় পরিবারের সদস্যদের কাছে তুলে দেয়া হল। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে তাদের নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়নি।