মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে বিক্রি খোলা খাবার,বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, সচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ !

মোঃ মজিবর রহমান শেখ
Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রকাশ্যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খোলা খাবার বিক্রি করছেন ফেরিওয়ালারা। ঠাকুরগাঁও জেলার ৫ টি উপজেলার মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল এ হাসপাতাল। চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা বলছেন, প্রকাশ্যে এভাবে খোলা খাবার বিক্রিতে হুমকির মুখে পড়তে পারে জনস্বাস্থ্য। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি এসব খাবার না কেনারও পরামর্শ দেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে প্রকাশ্যে একটি খোলা ট্রেতে প্রতি পিস নারকেল ১০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে; যা দেখে অনেক শিশু খাওয়ার জন্য বায়না ধরছে। উপায় না পেয়ে অস্বাস্থ্যকর এসব খাবার কিনে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। কাছে গিয়ে পরিচয় জানতে ও ছবি তুলতে গেলেই ক্যামেরা দেখে পালিয়ে যান সেই নারিকেল বিক্রেতা। শুধু মেডিসিন বিভাগে নয়, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি করা হচ্ছে চাল ভাজা, চানাচুরসহ বিভিন্ন রকমের খাবার। ভবনের বাইরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, পুরাতন ভবনের নিচেও চোখে পড়ে আরও বেশ কিছু ফেরিওয়ালা। রোগী ও স্বজনদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে এসব খাবার। রোগীর স্বজনরা বলছেন, এসব ফেরিওয়ালা কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করেন না।

ভিতরে বিক্রি হচ্ছে খোলা খাবার। দেখার যেন নেই কেউ। খোলা খাবার বিক্রি দ্রুত বন্ধের দাবি রোগাী ও স্বজনদের।