শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজ, ৪২ ছাত্রছাত্রী আটক

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

রিপোর্ট: স ম জিয়াউর রহমান

 

 

ভৈরবে অবৈধ রেস্টুরেন্ট ও কফি হাউজে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। কাপড় দিয়ে ঘেরা এসব রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজের অভিযোগে ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরে অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলার মানিকদী ও কুলিয়ারচর সংযোগ জিল্লুর রহমান সেতু এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার জিল্লুর রহমান সেতু সংলগ্ন মানিকদী এলাকার ৮টি রেস্টুরেন্টে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তথ্য ছিল- শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব রেস্টুরেন্টে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে। সেনাবাহিনী রেস্টুরেন্টগুলোতে গিয়ে এর সত্যতা পায়। ওখানে প্রতিটি রেস্টুরেন্টের প্রতিটি কক্ষ কাপড় দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ছিল। এ সময় অনৈতিক কার্যকলাপরত অবস্থায় ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে এনে তাদের সন্তানরা যে ভুল পথে এগোচ্ছে তা তাদের অবগত করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটককৃত ছাত্রছাত্রীদের জীবন-জীবিকা সম্পর্কে বাস্তবতা নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা কখন কোথায় যাচ্ছে তা আমাদের নজর রাখতে হবে। রেস্টুরেন্টগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের দেখে আমি অবাক হয়েছি। ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকসহ সবার মুচলেকা গ্রহণ করে তাদের অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করেছি। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট মালিকদের পরবর্তীতে এ ধরনের কোনো অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট মালিকদের পর্দা ব্যবহারে বিধিমালাও প্রদান করা হয়েছে। এ সময় অপ্রয়োজনীয় ও অনৈতিক কার্যকলাপে ব্যবহৃত পর্দাগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।