শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ।

মো: মজিবর রহমান শেখ 
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

 

 

মো: মজিবর রহমান শেখ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোলানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ফজলে কাদের চৌধুরী বাচ্চুকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা । মঙ্গলবার ৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯ টায় মোলানী বাজারে এই ঘটনা ঘটলে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিক্ষুব্ধ হয় শিক্ষার্থীরা । এ সময় হাতে বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সড়কে নেমে সুষ্ঠু বিচারের জন্য আন্দোলন করে তারা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় স্কুলে আসেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফজলে কাদের চৌধুরী বাচ্চু। প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনের সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলে দায়িত্ব পান তিনি। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে স্কুলে আসার পথে স্থানীয় কয়েকজন পথ‌রোধ করে তাকে মারধর করে। পথে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা সেখান থেকে চলে যায়।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফজলে কাদের চৌধুরী বাচ্চু জানান, স্কুলে আসার পথে তারা আমাকে থামিয়ে লাঞ্চিত ও মারধর করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়। কি কারনে এবং কারা মারধর করে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্কুলে কম্পিউটার অপারেটর, ল্যাব অপারেটর ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে তারা মারধর করে। তবে এসব বিষয়ে সাময়িক বহিষ্কার হওয়া প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেন ভালো জানেন। কারা মারধর করে জানতে চাইলে তিনি জানান, স্থানীয় আফাজ উদ্দিন, সমীরত উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, জবাইদুর রহমান, আনারুল ইসলাম, শ‌ইদুল ইসলাম সহ কয়েকজন আমাকে মারধর করে। পরে আমার স্কুলের শিক্ষক ও স্থানীয়রা আমাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে কাছে নিয়ে যায়। এদের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ বিভিন্ন শিক্ষকদের পিছনে লেগে আছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর বিচার দাবি করছি। স্থানীয়রা জানায়, স্কুল চলাকালীন সময়ে একজন শিক্ষককে এভাবে লাঞ্চিত ও মারধর করা মোটেও কাম্য নয়। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই এবং বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। অপরদিকে শিক্ষার্থীরা জানান, স্যার ৩০ বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন। উনি আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক। স্যারের সাথে এরকম ঘটনা মোটেও কাম্য নয়। অপরাধীদের সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তীতে অন্যান্য শিক্ষকদের এভাবে লাঞ্ছিত হতে হবে। তাই আমরা চাই প্রশাসন যাতে সঠিক তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ইউএনও মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দ্বারা হেনস্তার বিষয়টি শুনেছি। উনাকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।