শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

এমপিরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রেখে দেন: রুমিন ফারহানা

নিউজ ডেস্ক ::
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এমপি সাহেবরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রেখে দেন। তাদের সহযোগীরা নেন ২৫ ভাগ, ঠিকাদাররা পকেটে দেন ২০ ভাগ। আর বাস্তবে কাজে লাগে মাত্র ৫ ভাগ টাকা।

 

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের শাখাইতি গ্রামে উঠান বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

 

এমপিদের অর্থনৈতিক অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, এমপি যদি সৎ হন, তাহলে সরকারি বা বেসরকারি কোনো কাজেই দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ থাকে না। সরকারি দলের এমপি হোক বা স্বতন্ত্র বরাদ্দ সবার জন্যই সমান। এমপি চুরি না করলে কোনো ঠিকাদারের পক্ষেও টাকা আত্মসাৎ করা সম্ভব নয়।

 

এলাকার প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রবাসীরা দেশের পাশাপাশি গ্রামের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব।

 

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ দেশে নেই, অধিকাংশ আত্মীয়-স্বজনই বিদেশে অবস্থান করছেন। ফলে কোনো ব্যক্তিগত পিছুটান নেই। নির্বাচনে জয়ের পর কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে সুবিধা নেওয়ার চাপ দেবে না। যে ফল পাওয়ার কথা, তা সরাসরি এলাকার জনগণই পাবে।

 

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ইনশাল্লাহ আগামী ২২ তারিখ প্রতীক জানা যাবে। হাঁস প্রতীকই আমার লক্ষ্য। চেষ্টা থাকবে হাঁস মার্কা নিয়েই নির্বাচনে থাকার।