শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

ট্রাফিক সার্জেন্টদের হাতে তাৎক্ষণিক জরিমানার নতুন ক্ষমতা

ঢাকা অফিস ::
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ হালনাগাদ করে নতুন শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ জারি করেছে। ২৪ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন বিধিমালা কার্যকর হয়। আগের বিধিমালার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা এবং স্পষ্ট নির্দেশনার ঘাটতি দূর করতেই এ হালনাগাদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্বের বিধিমালায় কেবল ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা থাকায় জনবল সংকটে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়নি। এ সীমাবদ্ধতা দূর করতে নতুন বিধিমালায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট পদমর্যাদা ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক জরিমানা আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিধি ৬-এর উপ-বিধি (২), (৩) ও (৪)-এর আওতাভুক্ত কোনো অপরাধ তাদের সামনে সংঘটিত হলে ঘটনাস্থলেই জরিমানা করা যাবে।

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, শব্দদূষণের প্রধান উৎস হর্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পূর্বের বিধিতে আমদানি, উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির ওপর শাস্তির বিধান না থাকায় কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। নতুন বিধিমালায় এসব কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট শাস্তির ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ায় অনিয়ন্ত্রিত হর্ন ব্যবহারের লাগাম টানা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

নতুন বিধিমালায় শব্দদূষণ রোধে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান এসেছে—লিখিত অনুমতি ছাড়া জনপরিসরে লাউডস্পিকার, মাইক, অ্যাম্প্লিফায়ার ও সুরযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে; প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন বন্ধ; সামাজিক অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ শব্দসীমা ৯০ ডেসিবেল এবং রাত ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার বাধ্যবাধকতা; নীরব এলাকায় আতশবাজি, পটকা, হর্নসহ যেকোনো শব্দসৃষ্টিকারী পণ্য পুরোপুরি নিষিদ্ধ; এবং রাতের বেলায় সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

শিল্পকারখানা ও জেনারেটরের শব্দ নিয়ন্ত্রণেও নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন অপরাধের দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পূর্বের আইনি কাঠামোর ঘাটতি পূরণ করবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

 

বিধিমালা হালনাগাদের আগে অংশীজনদের নিয়ে একাধিক সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সব মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হয় এবং জনগণের মতামত গ্রহণের জন্য খসড়া অনলাইনে উন্মুক্ত করা হয়। বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস পর্যালোচনা করে ২০০৬ সালের বিধিমালার দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সেগুলো নতুন বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০২৫ সালের এই বিধিমালা হবে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।