মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আর নেই এমন ঘোষণা ছড়িয়ে পড়তেই যেন থমকে গেল তেহরান। মুহূর্তেই শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো ইরানে।
রবিবার সকালে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি তার শাহাদাতের খবর নিশ্চিত করলে রাজধানীর রাজপথ ভরে যায় শোকার্ত মানুষের ভিড়ে।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শনিবার ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রের এক যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি আনুষ্ঠানিকভাবে তার শাহাদাত বরণের খবর নিশ্চিত করে।
হসদফহজদফখবরটি প্রকাশের পর থেকেই তেহরানসহ পুরো দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ।
রয়টার্সের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শোকার্ত জনতা কালো পোশাক পরে রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। অনেককে উচ্চস্বরে বিলাপ করতে এবং কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। অনেকেই খামেনির ছবি বুকে জড়িয়ে মাতম করেন।
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খামেনির স্মরণে দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খামেনি তার দপ্তরে নির্ধারিত দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হামলার শিকার হন।
বিবিসি, সিএনএন এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে খামেনির মৃত্যু নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
তেহরানের রাজপথে বিক্ষোভকারীদের হাতে ইরানের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি কালো পতাকা এবং খামেনির প্রতিকৃতি দেখা গেছে।
অনেক পুরুষকে মাথায় হাত দিয়ে স্তব্ধ হয়ে বসে থাকতে বা আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রার্থনা করতে দেখা যায়।
ইরানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমানে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকল ছবি সূত্র: রয়টার্স, সংবাদ সোর্স: আনদুলু এজেন্সি