শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

রাউজানে যুবদলের সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ::
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

 

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় যুবদলের এক সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নে নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম জানে আলম সিকদার (৩৪)। তিনি রাউজান উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতের খাবারের আগে জানে আলম বাড়ির গেটসংলগ্ন উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক সেখানে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোটরসাইকেলের পেছনে বসা একজন খুব কাছ থেকে জানে আলমের বুকে পরপর দুটি গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন জানে আলমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

রাউজান উপজেলা যুবদলের একাধিক নেতা জানান, স্থানীয় রাজনীতির কিছু ঘটনার পর জানে আলম বেশ কিছুদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না। তবে এর আগে তিনি উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, জানে আলমের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কী কারণে তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হলো, তা তারা বুঝতে পারছেন না।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, মোটরসাইকেলে আসা কিছু দুর্বৃত্ত গুলি করে পালিয়ে যায়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত কোনো অপরাধীকে এখনো ধরা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।