শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

পিডি রাজিবের কেরামতিতে প্রকল্পে বাড়তি ব্যয় ৪৬৯ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম ব্যুরো ◼️
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

চাক্তাই-কালুরঘাট বাঁধ প্রকল্পে ৪৬৯ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়ের নেপথ্যে রাজিব দাশ

• পিডি রাজিব দাশের দম্ভোক্তি: ‘নিউজ করে কেউ আমার কিছু করতে পারেনি’

​চট্টগ্রাম ব্যুরো◼️

চট্টগ্রাম নগরীকে জোয়ারের পানি ও জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করতে নেওয়া চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অন্যতম বৃহৎ একটি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

‘কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ’ নামের এই মেগা প্রকল্পের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। অথচ এরই মধ্যে নির্মাণাধীন রেগুলেটর গুলোর গুণগত মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

​প্রকল্পটির অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে ইতিমধ্যে প্রায় ৪৬৯ কোটি টাকা খরচ বাড়ানো হয়েছে। বারবার মেয়াদ বাড়ানোর পরও কাজ শেষ না হওয়া এবং তদারকিতে গাফিলতির কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এই প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন।

​সিডিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে অনুমোদিত প্রায় ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধ কাম সড়ক প্রকল্পের কাজ এখনো শতভাগ শেষ করা যায়নি। সম্প্রতি প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, খালের মুখে নির্মাণাধীন রেগুলেটরের ভিমে ইতিমধ্যে ফাটল ধরেছে। এ ছাড়া জোয়ারের পানির আঘাত থেকে বাঁধ রক্ষায় যে কংক্রিট ব্লকগুলো বসানো হয়েছিল, সেগুলোর বেশ কয়েকটি ভেঙে গেছে এবং কিছু অংশে ধস নেমেছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁধের মূল ভরাট কাজে নিয়মানুযায়ী ভালো মাটি ও বালু ব্যবহার করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা করেনি। সেখানে পুরোনো ভবনের ভাঙা ইট, রাবিশ ও নিম্নমানের কাদা-মাটি ব্যবহার করা হয়েছে।

​নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “দিনের পর দিন চোখের সামনে ট্রাকে করে ভাঙা ভবনের রাবিশ এনে বাঁধে ফেলা হয়েছে। আমরা বাধা দিলে বলা হয়েছে ওপরের নির্দেশ আছে। এখন বর্ষা আসার আগেই যদি ফাটল ধরে, তবে এই বাঁধ চট্টগ্রাম শহরকে কীভাবে বাঁচাবে?”

​তিন দফায় মেয়াদ ও ৪৬৯ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি!

​২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল একনেক সভায় ২ হাজার ৩১০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তখন ২০২০ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি সিডিএ। এরপর প্রথম দফায় ২০২৪ সালের জুন, দ্বিতীয় দফায় ২০২৫ সালের জুন এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

​মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয়ও ৪৬৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ২ হাজার ৭৭৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকা করা হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা ভূমি অধিগ্রহণ ও মাঠপর্যায়ের কিছু জটিলতাকে বিলম্বের কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও নগর পরিকল্পনাবিদ ও সমালোচকদের মতে, যথাযথ তদারকি ও জবাবদিহির অভাবেই প্রকল্পটির ব্যয় ও সময় এতটা বেড়েছে।