মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

মাদারের চর আব্দুল গনি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।সুপার ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন সংবাদ সম্মেলন

ওমর আল বশির
Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন

 

 

 

 

ওমর -আল- বশির,দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর):

 

 

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার  ‘মাদারের চর আব্দুল গণি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার’  সুপার মো. হাসমত আলী ও সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনের দুর্নীতির

 

প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন  সাবেক সহকারী মৌলভী  মো. নাদের হোসেন।  গতকাল দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।

 

লিখিত বক্তব্যে নাদের হোসেন বলেন, সুপার মো. হাসমত আলী একজন দুর্নীতিবাজ । তার প্রমাণ আমি নিজেই । ২০১৩ সালে অত্র মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভী শিক্ষক হিসাবে যোগদানের জন্য আমার কাছ থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয় । চাকরি দেয় ।   ৩ বছর পর ২০১৬ সালে হঠ্যাৎ সে আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেয় । এবং শারমিন নামের অন্য একজনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আমার শুন্য পদে চাকরি দেয়। ২০১৭ সালে আবুল হাসান নামের আরেক চাকরি প্রত্যাশীর কাছ থেকে ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয় ।  চাকরি দেয় নি । আরো অনেকের কাছে ঘুষ নিয়েছে, তারা ভয়ে মুখ খোলে না।  এখন টাকা ফেরৎ চাইতে গেলে তারা প্রাণ নাশের হুমকি দেয় । এসব দুর্নীতির সহযোগী সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন । এছাড়াও  সুপার ও এই সহকারী শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির টাকা নিজের ও আত্মীয় স্বজনের মোবাইল নাম্বারে আত্মসাৎ করে যার প্রমাণ আছে ।

 

তিনি আরো বলেন অত্র মাদ্রাসায় ভুয়া নিয়োগে চাকরি করছে সহকারী মৌলভী শারমিন, ল্যাব সহকারী আইনুল, অফিস সহকারী হাবিবুল্লাহ হাবিব, সহকারী লাইব্রেরিয়ান নুরুল আমিন, জুনিয়র মৌলভী জুলফিকার আলী । জুলফিকার আলী অফিস সহকারী ছিলো পরবর্তীতে তাকে সুপার হাসমত আলী ও সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন টাকার বিনিমেয়ে ভুয়া কাগজ বানিয়ে জুনিয়র মৌলভী হিসেবে নিয়োগ দেয় । এছাড়াও একাধিক নিয়োগে বেক ডেট দিয়ে নিয়োগ সম্পন্ন করেছে বলেও অভিযোগ তুলেন ।

 

দীর্ঘ দিন থেকে এই অপকর্ম গুলো চালিয়ে আসছে তারা দুজন । অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা না বলার কারণ মাদ্রাসাটির অফিস কক্ষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম চালাতো । এবং সাবেক এম.পি. আবুল কালাম আজাদের প্রভাব খাটাতো সুপার হাসমত ও আলমগীর হোসন। ন্যায় বিচারের দাবিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সংবাদ সম্মেলনটি করেন নাদের হোসেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে নাদের হোসের সাথে উপস্থিত ছিলেন মো. রসিজল,মো. ভোলা,আ: জলীল, মো. রেজুয়ান হোসেন রতন,মো. ফরিদ, মো. মাহফুজুর রহমান, মো. আজমাইন হোসেন আরমান, মোছ. রত্না,মোছা. রোকেয়া, মো. সিয়াম,মোছা. মনিরা,মোছা. জবাফুল, মো. মনির, মো.  সাইদুর রহমান সহ অনেকেই।