শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

পলাশবাড়িতে ফকিরহাট মহিলা কলেজে  পরীক্ষার্থী মাত্র দুজন, দুজনই অকৃতকার্য

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

 

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। এই কলেজ থেকে মাত্র দু’জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। গত বছরও কলেজটি থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। ১৫ অক্টোবর দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফকিরহাট মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার নব। তিনি বলেন, ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে দুই শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই দুই শিক্ষার্থী ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা সমপন্ন করে। কিন’ প্রকাশিত ফলাফলে তারা দুইজনই অকৃতকার্য হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কলেজটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র পাঠদানের অনুমতি নিয়ে কলেজটি চালানো হচ্ছে। এরইমধ্যে কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগসহ সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।

স’ানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কলেজটির নিজস্ব কোনো জায়গা এবং অবকাঠামো নেই। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা তাহের খন্দকার তার বড় ভাইয়ের জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছেন। কিছুদিন আগে সেই জমিও দখলে নেন তার ভাই। বর্তমানে কলেজে কোনো ছাত্রছাত্রী নেই। অথচ শুধু সাইনবোর্ড দেখিয়ে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছেন।