মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

Reporter Name
Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।