রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
দিল্লি-লাহোরের বায়ু বিপজ্জনক, ঢাকার খুবই অস্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম-৮ : ‘দুর্গে’ ফুরফুরে বিএনপি, শক্তি বেড়েছে জামায়াতেরও ফেসবুকে শীর্ষদের তালিকায় ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে তারেক রহমান বাণিজ্যিক রাজধানী গড়তে নগর সরকার প্রয়োজন: মেয়র শাহাদাত ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকিতে ইইউ নেতাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুম-খুন-নির্যাতনের পরও বিএনপি কখনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি : তারেক রহমান হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠক ‘নিয়মিত যোগাযোগের অংশ’: নয়াদিল্লি রুমিন ফারহানার সমাবেশে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গেল বছর চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড ৫৪৬০ কোটি টাকা আয়
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

জেল হত্যা দিবস আজ

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

 

 

স ম জিয়াউর রহমান :

আজ ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে (৩ নভেম্বর) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী জাতীয় চার নেতাকে। তারা হলেন, বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামান। তারা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে এবং দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অসামান্য ভূমিকা পালন করেন।

এই ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের আড়াই মাস আগে ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয় তার চার বিশ্বস্ত সহযোগীকে। এ হত্যাকাণ্ড স্মরণে প্রতি বছর ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর (১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর) ওই সময়ের কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, তার নেতৃত্বে চার-পাঁচ জন সেনাসদস্য কারাগারে ঢুকে চার নেতাকে হত্যা করেন। গুলি করে নেতাদের হত্যা করে, পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর মামলার রায় ঘোষণা করে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। রায়ে পলাতক আসামি রিসালদার (ক্যাপ্টেন) মোসলেহ উদ্দিন, দফাদার মারফত আলী শাহ ও দফাদার মো. আবুল হাশেম মৃধাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে এর বিচারকাজ শেষ হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করতে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।