রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
জামায়াত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ-এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করছেন : অভিযোগ ফখরুলের চীনের সম্মতি পেলেই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ : সৈয়দা রিজওয়ানা দিল্লি-লাহোরের বায়ু বিপজ্জনক, ঢাকার খুবই অস্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম-৮ : ‘দুর্গে’ ফুরফুরে বিএনপি, শক্তি বেড়েছে জামায়াতেরও ফেসবুকে শীর্ষদের তালিকায় ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে তারেক রহমান বাণিজ্যিক রাজধানী গড়তে নগর সরকার প্রয়োজন: মেয়র শাহাদাত ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকিতে ইইউ নেতাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুম-খুন-নির্যাতনের পরও বিএনপি কখনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি : তারেক রহমান হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠক ‘নিয়মিত যোগাযোগের অংশ’: নয়াদিল্লি
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক কে অপস্বারণের দাবীতে মানববন্ধন। 

মোঃ নুর হোসেন
Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

 

মোঃ নুর হোসেন,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুর রামগতি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী উত্তর চর নেয়ামত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুনাম পুনরুদ্ধারে অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোজাহার হোসেনের অপসারণের দাবিতে বিদ্যালয়ের এলাকার নোয়াখালী টু রামগতি আঞ্চলিক সড়কের পাশে মানববন্ধন করেছে অভিভাবক, যুব সমাজ ও এলাকাবাসী। বুধবার ৩০ অক্টোবর সকাল ১১ টায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা বলেন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোজাহার হোসেন ২০১৭ সালে বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে একের পর এক অনিয়ম করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়টি তাঁর নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মতই পরিচালনা করেন।

নিয়মিত শ্রেণীকক্ষে পড়া লেখা ও স্কুলের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন না হলেও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বিভিন্ন বরাদ্দ থেকে। স্কুলের ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়ার সরঞ্জাম ও সাংস্কৃতিক সরঞ্জাম স্কুলে ব্যবহার না করে তার বাসায় নিয়ে ব্যবহার করেন, স্লিপ বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে শুরু করে সরকারি সকল বরাদ্দ নামমাত্র খরচ দেখিয়ে তিনি ইচ্ছামত ভোগ করে যাচ্ছেন, যা সহকারী শিক্ষকদেরও জানতে দিচ্ছেন না তিনি। তবে এসব কাজে স্কুল কমিটির সদস্যগন বিরুদ্ধিতা করলেও সাবেক সভাপতি এই অনিয়ম বিষয়ে ছিলেন চুপ নিতেন সুবিধা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষককে বারবার অবগত করার পরেও প্রধান শিক্ষক কোন তোয়াক্কা করতেন না। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কমিটির সদস্য সহ এলাকায় বাসী জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। যাহা এখনো তদন্তে প্রক্রিয়াধীন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া হলেও উপর মহলে তার লোক থাকার কারণে সেগুলোর কার্যকারিতা হারায়।

প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোজাহার হোসেনের পরিবারের লোকজন আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও প্রশাসনের বড় দায়িত্ব থাকায় তাদের ছত্র ছায়ায় কারণে অভিভাবকরা কিছু বললে তাকে ‘দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। তাঁর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে দিন দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ হারাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্কুল থেকে বিমুখ হয়ে যাচ্ছেন, স্কুলটি শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে, ছাত্র ছাত্রী সংগ্রহে ও শিক্ষকদের কোন কর্মতৎপরতা নেই।

চলতি বছরের ০৫ ই আগস্ট সরকার পতনের আগের বছরগুলোতে তিনি তার অনুগত স্কুল কমিটি সাজিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করতেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত সাবেক অভিভাবক সদস্য সাকায়েত হোসেন লাভু ও জহিরুল ইসলাম বলেন, এই দূর্নীতিবাজ ও অর্থ লোপাট কারী এই প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোজাহার হোসেন কে অবিলম্বে তাহার দূষ্টান্ত মূলক শান্তি ও বিচারের মুখোমুখিসহ তার বদলীর দাবী করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোজাহার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র স্কুল ও তার সুনামকে বিনষ্ট করতে অহেতুক মিথ্যা অভিযোগ করে আসছে।

তারদাবী যতটুকু অনিয়ম দূর্নীতি হয়েছে তার চেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে বিগত দিনে কিছু অনিয়ম দূর্নীতি কথা স্বীকার করেন তিনি।