শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে পেট্রোল পাম্প দখল চেষ্টার অভিযোগে মামলা

মনির হোসেন,
Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন

 

 

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-বিচারকের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে ভুয়া অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে বেনাপোলের একটি পেট্রোল পাম্প দখল চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার ২৭নভেম্বর শার্শা উপজেলার যাদবপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়ার মেয়ে তনিমা তাসনুভা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে এ মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন, শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের দুদু মিয়ার দু’ছেলে আনোয়ার হোসেন ও জামাল হোসেন এবং ভবের বেড় গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত আলী অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

তনিমা তাসনুভা অভিযোগ করে বলেন, ফিলিং স্টেশন এবং এর জমি পৈত্রিক সূত্রে শার্শা উপজেলার কাগজ পুকুরের মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী তিনি। তার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর খুলনার সনদপত্র রয়েছে। কিন্তু আসামি আনোয়ার হোসেন ও জামাল হোসেন চক্রান্ত করে অপর আসামি ইব্রাহিম হোসেনের সহায়তায় একজন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে একটি ভুয়া অ্যাফিডেভিট তৈরি করেন। ওই অ্যাফিডেভিটে মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশনের সাবেক স্বত্বাধিকারী গোলাম কিবরিয়ারও স্বাক্ষর জাল করা হয়। এই ভুয়া অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আসামিরা মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন দখলের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি তনিমা তাসনুভা জানতে পেরে আদালতকে অবহিত করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, অ্যাফিডেভিটটি ভুয়া এবং এতে বিচারকের স্বাক্ষর ও সিলও জাল। এ কারণে তিনি আদালতে মামলা করেন।#