শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানবসেবার প্রতীক মহানগরের অতি সুপরিচিত মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা রুবেল বড়ুয়া সমাজসেবা ও রাজনীতিতে ভালোভাবেই সক্রিয় মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাজু রাজনীতির মাঠে তার কর্মকান্ড নজর করেছে সিনিয়র নেতাদের নতুন পরিচালনা কমিটি পেল মোহরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগীণ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) পদে পদোন্নতি শহীদ ওমরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ডা: মো: আবু নাছের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানকে প্যাটারসন সিটির সম্মাননা খোদ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সুপারিশপত্রকেও পাশ কাটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চট্টগ্রামের ট্রাস্টি পদ ভাগিয়েছেন ঢাকায় বসবাসরত তিন ব্যক্তি মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান দীর্ঘ এক যুগ পর শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

শ্যামনগরের নূরনগর তহশীল অফিসের পিয়ন ইদ্রিস মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূনীতি সহ নানান অভিযোগ উঠেছে

Reporter Name
Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

ভয়েজ অব সুন্দরবন।।
।। শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়ন তহশীল অফিসের পিয়ন ইদ্রিস মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মাস্টার রোলে উক্ত তহশীল অফিসে কাজ করে বনে গেছেন কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। খাজনা দাখিলা কর্তন, মিউটেশন রেকর্ড, গেজেট পরচা প্রদান,এস এ খতিয়ান প্রদান সহ নানান কাজ করে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা। এদিকে জৈনক মিরালি মোল্লা নামের এক ব্যক্তিকে কয়েক-শ” বিঘা জমি  পাইয়ে দেওয়ার সুবাদে উক্ত পিয়ন ইদ্রিস মোল্লা নিজের নামেও হাতিয়ে নিয়েছে ৩০ বিঘার অধিক জমি। এছাড়া সরকারি খাস সম্পত্তি নিজের ভাই ও ভাবির নামে বন্দোবস্ত নিয়ে দখল নিয়েছেন বলে স্থানীয় এলাকার মানুষ জানিয়েছে।  পূর্বের  ফিরোজা নামের এক ঝাড়ুদারকে বিভিন্ন সমস্যা করে তাকে সরিয়ে দিয়ে উক্ত পদে নিজেই ঢুকে পড়েন ইদ্রিস আলী ,এমন অভিযোগ একাধিক ব্যক্তির।
দুরমুজ খালি এলাকার রহমত আলী জানান,  খাজনা দাখিলা কাটত গেলে ইদ্রিস আলীকে আগে টাকা দেওয়া লাগে, একশত টাকার খাজনা দাখিলায়  তাকে পাঁচশত টাকা দিতে হয়। এসব বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে, মিজানুর রহমান ও ফিরোজা বেগম নামের দুই ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। বিষয়টির তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার কে দায়িত্ব দিলে, উপজেলা সহকারী কমিশনার সংশ্লিষ্ট নুরনগর তহশীলদারকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে নুরনগর ইউনিয়ন তসিলদার রনজিত কুমার বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি দুই পক্ষকে নিয়ে তদন্ত করে সঠিক যে টি হয় ,সেটি আমি স্যারের কাছে প্রেরণ করবো, এ বিষয়ে আমি আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।
এদিকে তহশীল অফিসের পিয়ন ইদ্রিস আলী মোল্লা বলেন ,অভিযোগকারীদের সাথে আমার পারিবারিক দ্বন্দ থাকার কারণে তারা বিভিন্ন জায়গায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করছেন, আমাকে হয়রানি করার জন্য। তাদের এ সকল অভিযোগগুলো আদৌও সত্য না, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
#