শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

নোয়াখালীতে মুক্ত দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভার আয়োজন 

মোহাম্মদ আবু নাছের,
Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

 

 

 

মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী :

 

 

নোয়াখালীতে ৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস উদযাপন করতে নোয়াখালী জেলা সন্তান কমান্ড কাউন্সিল সদর উপজেলা শাখার ব্যানারে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল কার্যালয়ে নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কার্যকরী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক

সাইফুল ইসলাম রাসেলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ। বক্তব্য রাখেন,মোঃ ইয়াসিন, মোঃ দিদারুল ইসলাম, কাজী ফাহাদ, আবদুর রহিম রাব্বি।

 

আলোচনায় নোয়াখালী মুক্ত স্কয়ারে ৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস উপলক্ষে বিজয় রেলি শেষে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা আয়োজনের বিষয় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। অংশ গ্রহণ করেন

চাটখিল উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মোঃ মোজাম্মেল হোসেন দুলন।

 

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ৭ ডিসেম্বর একাত্তরের এদিন ভোরে বৃহত্তর নোয়াখালীর মুজিব বাহিনীর প্রধান মাহমুদুর রহমান বেলায়েত এবং সি-জোনের কমান্ডার মোশারেফ হোসেনের নেতৃত্বে জেলা শহর মাইজদী আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। একযোগে তারা তিনটি রাজাকার ক্যাম্প দখল করে। আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানীদের এদেশীয় দালাল রাজাকাররা। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবস্থা বেগতিক দেখে নোয়াখালী পিটিআই’র ট্রেনিং সেন্টার থেকে তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যায় পাকিস্তানী সেনারা, শত্রুমুক্ত হয় নোয়াখালী।