শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কাছাড়ের উধারবন্দে এলাকায় ৪ শ্রমিক নিহত  আসাম মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সৎসঙ্গ পরিবারের ২ কোটি টাকা অনুদান আসামে মাদকাসক্ত জামাতার হাতে শ্বশুর খুন পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার  বোয়ালখালীর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা শিমলা সেনগুপ্ত বাগীশিপের উদ্যোগে গীতা স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও ইউনিফর্ম বিতরণ ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে এশিয়ান গ্রুপের পদে পদে জালিয়াতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫ জন  সবাইকে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন
নোটিশ:

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

গাইবান্ধায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন

 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

৭ ডিসেম্বর শনিবার গাইবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে শহরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য র‌্যালিটি পুরাতন টেলিফোন ভবন সংলগ্ন পূর্বপাড়া থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ। গাইবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দিবসটি পালন করা হয়। আলোচনা সভার শুরুতেই শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন কমিটির সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদার সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ, পুলিশ সুপার মো. মোশাররফ হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াশিকার মো. ইকবাল মাজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাহাদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে কোম্পানী কমান্ডার মাহবুব এলাহী রঞ্জু (বীর প্রতীক) এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের কালাসোনার চর থেকে বালাসীঘাট হয়ে গাইবান্ধা শহরে প্রবেশ করে। বিজয়ী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের সংবাদ পেয়ে আগের রাতেই গাইবান্ধা শহরের স্টেডিয়ামে অবস্থিত পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা তল্পিতল্পা গুটিয়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্টের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়।